সাতক্ষীরা জেলা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
Md Abu Sayeed (আলোচনা | অবদান) সাতক্ষীরা জেলা নিবন্ধন তৈরি ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
Md Abu Sayeed (আলোচনা | অবদান) →(শীর্ষ): হালনাগাদ ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
'''সাতক্ষীরা জেলা''' বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক জেলা। জেলার পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, উত্তরে যশোর জেলা, পূর্বে খুলনা জেলা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ, চিংড়ি চাষ, কৃষি এবং সীমান্ত বাণিজ্যের জন্য সাতক্ষীরা সুপরিচিত। জেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর সাতক্ষীরা শহরে অবস্থিত। | '''সাতক্ষীরা জেলা''' [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক জেলা। জেলার পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, উত্তরে যশোর জেলা, পূর্বে খুলনা জেলা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ, চিংড়ি চাষ, কৃষি এবং সীমান্ত বাণিজ্যের জন্য [[সাতক্ষীরা জেলা|সাতক্ষীরা]] সুপরিচিত। জেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর [[সাতক্ষীরা জেলা|সাতক্ষীরা]] শহরে অবস্থিত। | ||
== ইতিহাস == | == ইতিহাস == | ||
২৩:০৩, ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক জেলা। জেলার পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, উত্তরে যশোর জেলা, পূর্বে খুলনা জেলা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ, চিংড়ি চাষ, কৃষি এবং সীমান্ত বাণিজ্যের জন্য সাতক্ষীরা সুপরিচিত। জেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর সাতক্ষীরা শহরে অবস্থিত।
ইতিহাস
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]ঔপনিবেশিক আমলে সাতক্ষীরা যশোর জেলার একটি মহকুমা হিসেবে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করত। ১৮৬১ সালে সাতক্ষীরা মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৮৮২ সালে এটি খুলনা জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে ১৯৮৪ সালে সাতক্ষীরা পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ভৌগোলিক অবস্থান
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]সাতক্ষীরা জেলার আয়তন প্রায় ৩,৮০০ বর্গকিলোমিটারের বেশি। জেলার দক্ষিণাংশের একটি বড় অংশ বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী সুন্দরবনের অন্তর্ভুক্ত। জেলার মধ্য দিয়ে বেতনা, কপোতাক্ষ, ইছামতি, কালিন্দী, রায়মঙ্গল, হরিভাঙ্গা ও যমুনাসহ বিভিন্ন নদী প্রবাহিত হয়েছে। উপকূলীয় অবস্থানের কারণে এ জেলা জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা এবং ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
প্রশাসনিক কাঠামো
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]সাতক্ষীরা জেলায় ৭টি উপজেলা রয়েছে-
- আশাশুনি উপজেলা
- কলারোয়া উপজেলা
- কালীগঞ্জ উপজেলা
- দেবহাটা উপজেলা
- তালা উপজেলা
- সাতক্ষীরা সদর উপজেলা
- শ্যামনগর উপজেলা
এছাড়া জেলায় ২টি পৌরসভা, ৭৯টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং অসংখ্য মৌজা ও গ্রাম রয়েছে।
জনসংখ্যা
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের বসবাস। জেলার অধিকাংশ বাসিন্দা ইসলাম ধর্মাবলম্বী; এছাড়া হিন্দু, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীও বসবাস করে।
অর্থনীতি
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]সাতক্ষীরার অর্থনীতি মূলত কৃষি, মৎস্যচাষ এবং চিংড়ি চাষনির্ভর। দেশের অন্যতম বৃহৎ চিংড়ি উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে জেলার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এছাড়া ধান, পাট, পান, মাছ, ফলমূল এবং সীমান্ত বাণিজ্য জেলার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভোমরা স্থলবন্দর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
শিক্ষা
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]জেলায় সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জেলার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম।
দর্শনীয় স্থান
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- সুন্দরবন
- ভোমরা স্থলবন্দর
- যশোরেশ্বরী কালী মন্দির
- টেংরাখালী ও উপকূলীয় বনাঞ্চল
- বিভিন্ন নদী ও প্রাকৃতিক জলাভূমি
যোগাযোগ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]সড়কপথে সাতক্ষীরা জেলার সঙ্গে খুলনা, যশোর এবং রাজধানী ঢাকার নিয়মিত বাস যোগাযোগ রয়েছে। জেলার ভোমরা স্থলবন্দর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- খুলনা বিভাগ
- সুন্দরবন
- শ্যামনগর উপজেলা
- বাংলাদেশ